Alexa উৎকণ্ঠায় হাওরের কৃষকরা

উৎকণ্ঠায় হাওরের কৃষকরা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:২৫ ২৩ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সুনামগঞ্জে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো মেরামত না করায় কৃষকরা উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ভেঙে গেলে তলিয়ে যাবে হাজারো হেক্টর জমির ধান।

কৃষকরা জানান, বাঁধের ১৩৫টি ভাঙা অংশের মধ্যে ৬৩টির মেরামত করা হচ্ছে। বাকি ৭২টির কাজ এখনো শুরু হয়নি।

সরেজমিনে তাহিরপুরের শনির হাওরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ লালুর গোয়ালায় দেখা গেছে, এখানে বাঁধ বিপজ্জনকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-তাহিরপুর-বিশ্বম্ভরপুরের ১৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ অংশ মেরামতের নামে কয়েকটি বাঁশ পোঁতা ছাড়া কোনো কাজই করেনি পিআইসি কমিটি।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের এপ্রিলে তাহিরপুর-জামালগঞ্জের সীমান্তবর্তী বৌলাই নদীর পাড়ে অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হয় লালুর গোয়ালা বাঁধ। পরে বাঁধের দুর্বল অংশ ভেঙে চারটি উপজেলার হাওরের ধান ডুবে যায়। তাই গুরুত্বপূর্ণ এ বাঁধের কাজ শুরু না হওয়ায় উৎকণ্ঠায় দিন পার করছে লাখ লাখ কৃষক।

বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শন করেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা

তাহিরপুরের পণ্ডুব গ্রামের কৃষক আলী আহমদ জানান, চার উপজেলার কৃষকদের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে লালুর গোয়ালা ক্লোজার। বাঁধ নির্মাণে অবহেলা করা হয়েছে। এখন মেরামতেও অবহেলা করা হচ্ছে।

জামালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল কবীর বলেন, লালুর গোয়ালায় পানি নামতে দেরি হওয়ায় মেরামত কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। ক্লোজারে বাঁশ পোঁতা শুরু হয়েছে। শিগগিরই মাটির কাজ শুরু হবে।

তাহিরপুরের ইউএনও বিজেন ব্যার্নাজি বলেন, শনির হাওরের লালুর গোয়ালা ক্লোজার দ্রুত মেরামতে পিআইসিদের তাগিদ দেয়া হচ্ছে। কাজে অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল বলেন, পানির অজুহাত দেখিয়ে কাজ বিলম্বিত করার কোনো সুযোগ নেই। গাফিলতির প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর