Alexa উল্টো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়েও বেঁচে ছিলেন ৯৯ বছর

উল্টো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়েও বেঁচে ছিলেন ৯৯ বছর

ডেস্ক নিউজ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৫৩ ১৪ মে ২০১৯   আপডেট: ১২:১৬ ১৪ মে ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

রোজ ম্যারি বেন্টলি নামে পাঁচ সন্তানের জননী উল্টো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়েও বেঁচে ছিলেন ৯৯ বছর।

আর্শ্চযের বিষয় হল তার মৃত্যুর পর মেডিকেলের ছাত্ররা আবিষ্কার করলেন বেন্টলির হৃৎপিণ্ড ছাড়া আর সব অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ উল্টো জায়গায় রয়েছে।

বুধবার ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানায়। এ ঘটনাকে ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিস্ময়’ বলে অভিহিত করছেন গবেষকরা।

‘সিটাস ইনভারসাস’ নামে পরিচিত বিরল এ শারীরিক অবস্থার তথ্য অ্যানাটমিস্ট বা শারীরস্থানবিদদের সম্মেলনে প্রথম জনসমক্ষে আনা হলে সবাই অবাক হয়ে যান। বিজ্ঞানীরা অবাক হন বেন্টলি এত দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকায়।   

পোর্টল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যানাটমি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ক্যামেরন ওয়াকারের ক্লাসে মৃতদেহ পরীক্ষার সময় বেন্টলির শরীরের এই অস্বাভাবিকতা প্রথম ধরা পড়ে। তারা দেখতে পান বেন্টলির অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেখানে থাকার কথা সেখানে নেই। তিনি প্রথমে কৌতূহলী এবং পরে চিকিৎসাবিদ্যার এই অত্যাশ্চর্য ঘটনাটি আরো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

পরে তিনি গবেষণা করে জানতে পারেন আগে এ ধরনের ব্যক্তি ৭৩ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকার রেকর্ড রয়েছে।

বেন্টলির পরিবার তার শরীরের এ অবস্থার কথা জানত না, তিনি নিজেও জানতেন না। এ ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা যায় গড়ে ২২ হাজার মানুষের মধ্যে একজনের ক্ষেত্রে।

বেন্টলি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন এবং বাতের ব্যথা ছাড়া তার আর কোনো শারীরিক কষ্ট ছিল না বলে জানান তার মেয়ে লুইস অ্যালি।  বেন্টলি যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন রাজ্যের একমাত্র হেলথ সেন্টারে তার মৃতদেহ দান করে যান।

অ্যালি বলেন, তার মা যদি জানতেন যে দেহদান করে যাওয়ায় মানুষ নতুন জিনিস জানতে পেরেছে তাহলে তিনি খুব খুশি হতেন।

অধ্যাপক ক্যামেরন ওয়াকার বলেন, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ কেস। এর ফলে ভবিষ্যতে ডাক্তাররা অ্যানাটমিতে সামান্য ব্যতিক্রম দেখলে তা আরো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।

তিনি বলেন, বাইরেরটা দেখে ভেতরে কী আছে আন্দাজ করবেন না। কারো যত্ন বা সেবার বিষয়ে কথা বলার আগে ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখবেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

Best Electronics
Best Electronics