ঈদ আনন্দে বিনোদন কেন্দ্রগুলো মুখরিত

ঈদ আনন্দে বিনোদন কেন্দ্রগুলো মুখরিত

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৫৪ ১৩ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ২২:১৭ ১৩ আগস্ট ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঈদ আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানী ও এর আশপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। মঙ্গলবার ঈদের দ্বিতীয় দিন ঢাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এদিন রাজধানীর চিড়িয়াখানা, শিশুমেলা, ফ্যান্টাসি কিংডম, বলধা গার্ডেন, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, জাতীয় সংসদ ভবন চত্বর, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, যমুনা ফিউচার পার্ক, নন্দন পার্কসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে দেখা গেছে বিপুল মানুষের উপস্থিতি।

ঈদের প্রথমদিন সোমবার আনন্দ উপভোগ করতে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে রাজধানী ও আশপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। ঈদের আগের দিনের মতো পরের দিনও সকাল থেকেই ওইসব বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষজনের সমাগম ছিলো চোখে পড়ার মতো। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শনার্থীদের ভিড়ও বাড়তে থাকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদের পরের দিন সকাল আটটা থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থীরা জাতীয় চিড়িয়াখানার সামনে ভিড় জমাতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই দর্শকদের পদচারণায় চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে যায়। দুই বছরের বেশি বয়সী প্রত্যেককে ৫০ টাকার টিকিট কেটে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে হয়।

জাতীয় চিড়িয়াখানার তথ্য কর্মকর্তা ওয়ালীউর রহমান বলেন, ঈদে চিড়িয়াখানায় যে পরিমাণ লোকের সমাগম হয়,  তবে আজ বৈরি আবহাওয়ার কারণে ততোটা হয়নি। তিনি বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে চিড়িয়াখানায় ঘোরাঘুরি করতে পারেন সেজন্য সিসিটিভিসহ চারস্তরের নিরাপত্তা রয়েছে। 

এদিকে রাজধানীর পাশে আশুলিয়ার থিম পার্কখ্যাত ফ্যান্টাসি কিংডম ও নন্দন পার্কে উৎসব উপভোগ করতে প্রিয়জন ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ভিড় জমান কয়েক হাজার বিনোদনপ্রেমী। এছাড়া রাজধানীর আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লাসহ ঐতিহাসিকস্থানসহ অন্যসব বিনোদন কেন্দ্র ছিল লোকে লোকারণ্য।

তবে রাজধানীতে সাধারণ আর মধ্যবিত্তের বিনোদন কেন্দ্র বলতে হাতিরঝিল প্রাধান্য পেয়েছে। তাই সেখানেই প্রায় সব বয়সী মানুষের জনস্রোত চোখে পড়েছে। ঈদের দিন সকালের পরই হাতিরঝিলে হাজারো মানুষ উপস্থিত হয়। আর ঈদকে কেন্দ্র করে বিনোদনপ্রেমীদের জন্য নতুন সাজে প্রস্তুত করা হয়েছে হাতিরঝিল চক্রাকার বাস, ওয়াটার বাস। ঈদমুখর মানুষকে খোলামেলা আর বিস্তৃত পরিচ্ছন্ন বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে এ কেন্দ্রটি বেশি আকর্ষণীয়।

শুধু জনপ্রিয় এসব বিনোদন কেন্দ্রই নয় রাজধানীর ঐতিহাসিক স্থান আর ছোটখাটো বিনোদন কেন্দ্রগুলো জনসাধারণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় খুলে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্র নতুন করে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখা হয়। এসব বিনোদন কেন্দ্রের প্রায় সবগুলোতেই ছোট-বড় সবার উচ্ছ্বল উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্য করার মতো। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/জেডআর