Alexa ঈদের তৃতীয় দিনেও ছুটির আমেজে ঢাকা

ঈদের তৃতীয় দিনেও ছুটির আমেজে ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৩২ ১৪ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ২১:২৯ ১৪ আগস্ট ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদুল আজহার আজ তৃতীয় দিন। নাড়ির টানে রাজধানীর অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপনে গিয়েছিলেন। তাদের অনেকেই ছুটি কাটিয়ে নগরীতে ফিরতেও শুরু করেছেন। খুলেছে সরকারি অফিস আদালতও। তবে এখনো ছুটির আমেজেই রয়েছে গোটা রাজধানী। 

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গেল দুই দিনের মতো আজো (বুধবার) নগরীর বিভিন্ন রাস্তাঘাটে লোকজন খুব একটা নেই। তবে যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। সেখানে যাত্রীদের খুব একটা চাপ নেই। নগরীর বিভিন্ন রুটে চলাচল করা প্রায় বাসই অর্ধেকের বেশি ফাঁকা দেখা গেছে। 

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন অলিগলির সড়কে রিকশা-অটোরিকশা চালকরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। তাদেরও খুব একটা যাত্রী নেই। তবে গেল দুই দিন বাস স্টপেজগুলোতে কিছু যাত্রীর দেখা মিলেছে। আজ সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি। এ কারণে যাত্রীর সংখ্যা একেবারেই শূন্যের কোঠায়। আর যাত্রী না পেয়ে দূরপাল্লার বেশিরভাগ বাস খালি হয়েই গন্তব্যে ছুটছে।

এদিকে ঈদের ছুটি আজ শেষ হওয়ায় সরকারি অফিস-আদালত খুলেছে। তবে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিতির হার একেবারেই নগণ্য। অনেকেই আজ অগ্রিম ছুটি নিয়ে রেখেছিলেন। এতে আগামীকাল ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছুটির সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটিও পেয়েছেন। ফলে একদিনের ছুটি নিয়ে অনেকেই গ্রামে রয়ে গেছেন।

বুধবার দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর উত্তরা আজমপুর মোড়ের পেট্রোল পাম্পে অকটেন নিতে আসেন ৭ নম্বর সেক্টরের ইদ্রিস আলম নামের এক ব্যক্তি। এ সময় তিনি বলেন, রাজধানী আগামী রোববারের আগে আর স্বাভাবিক হচ্ছে না। তবে ফাঁকা রাজধানীতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে খুব আরাম পাচ্ছি।

এদিকে পেট্রোল পাম্পের সঙ্গেই কয়েকটি অস্থায়ী চায়ের দোকান ছিলো। এর মাঝে শুধু একটিই খোলা রয়েছে। সেখানে কয়েকজন রিকাশাচালক ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেদের খোশমেজাজে গল্প করতে দেখা যায়। যানবাহনের সংখ্যা কম থাকায় একজন ট্রাফিক পুলিশও বেশ আয়েশ করেই চা খাচ্ছিলেন।

এছাড়া রাজধানীর খিলক্ষেত বাজার এলাকার চারপাশে বিভিন্ন কসমেটিকস, মিষ্টি, ওষুধ, বিরিয়ানি ও ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে। তবে স্বাভাবিক সময়ে অসংখ্য ক্রেতার উপস্থিতিতে জমজমাট থাকলেও আজ সর্বসাকুল্যে হাতেগোনা কয়েকটি দোকান খোলা দেখা গেছে।

পাশাপাশি বনানী ও মহাখালী এলাকারও একই দৃশ্য। মহাখালীর একটি বিরিয়ানি দোকানে সোহেল নামে এক ম্যানেজারের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তেমন বিক্রি নেই। আগামী রোববার পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর

Best Electronics
Best Electronics