ইসলামপুরে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধে ভাঙন  

ইসলামপুরে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধে ভাঙন  

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি   ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৩২ ৩০ মে ২০২০  

ইসলামপুরে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধে ভাঙন  

ইসলামপুরে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধে ভাঙন  

বন্যার পানি বৃদ্ধি হতে না হতেই জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় যমুনার বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাঁধের চারটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে যমুনাপাড়ের বাসিন্দারা।

বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে উপজেলার পাথর্শী ইউপির মোরাদাবাদ ঘাট থেকে কুলকান্দি হার্ডপয়েন্ট পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটিও। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে পড়বে উপজেলার ছয়টি ইউপির ফসলি জমি, স্থাপনাসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

জানা যায়, যমুনা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ফুটানী বাজার থেকে সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউপি পর্যন্ত তিনটি পয়েন্টে ৪৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ দশমিক ৫৫ কিলোমিটার যমুনার বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ২০১০ সালে শুরু হয়ে ২০১৭ সালে শেষ হয় ওই প্রকল্পের কাজ।  

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে ওই বাঁধে। এরইমধ্যে বাঁধের চারটি পয়েন্ট নদীগর্ভে ধসে গেছে। ধসে যাওয়া পয়েন্টগুলো হলো- মোরাদাবাদ নৌ-ঘাটের দক্ষিণ পাশে দুইটি শশারিয়াবাড়ী বেড়পাড়ায় একটি এবং শশারিয়াবাড়ী খানপাড়ায় একটি। এতে হুমকির মুখে পড়েছে যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধ। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরাদাবাদ ঘাট থেকে কুলকান্দি হার্ট পয়েন্ট পর্যন্ত ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

পাথর্শী ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আলম বাবুল জানান, মোরাদাবাদ ঘাট ও শশারিয়াবাড়ি, খানপাড়া এবং কুলকান্দি এলাকায় যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধের ভাঙ্গন দ্রুত প্রতিরোধ করা না হলে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাঁধ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া গেলে নদী ভাঙ্গন ও অকাল বন্যার হাত থেকে উপজেলার ছয়টি ইউপির নিম্নাঞ্চলের মানুষ রক্ষা পাবে।

এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল জানান, বাঁধের বেশ কয়েকটি স্থানে ধসের খবর পেয়েছি। ভাঙ্গন রোধে জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। ধ্বসে যাওয়া অংশ দ্রুত সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে আলোচনা চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ