প্রথমবার বিশেষ ট্রেনে ৩৮৪ টন শুকনো মরিচ পাঠালো ভারত

প্রথমবার বিশেষ ট্রেনে ৩৮৪ টন শুকনো মরিচ পাঠালো ভারত

যশোর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩১ ১৩ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৬:৪৫ ১৩ জুলাই ২০২০

ভারত থেকে বেনাপোলে আসা পার্সেল ট্রেন

ভারত থেকে বেনাপোলে আসা পার্সেল ট্রেন

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারত থেকে বিশেষ পার্সেল ট্রেনে প্রায় ৩৮৪ টন শুকনো মরিচ এসেছে। ১৬টি পার্সেল ভ্যান নিয়ে ভারতের রানাঘাট জংশন থেকে সোমবার সকাল ৮টায় ছেড়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছায় বেলা ১১টায়।

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ থেকে বাংলাদেশে এই মরিচ পাঠানো হয়। প্রায় এক হাজার ৩৭২ কিলোমিটার পথে ট্রেনে প্রতি টন শুকনো মরিচ পরিবহনে খরচ হয়েছে চার হাজার ৬০৮ রুপি, সড়ক পথে যে খরচ ছিল সাত হাজার রুপি।

এর আগে অন্ধ্র প্রদেশের গুন্তুর জেলা ও আশপাশের এলাকাগুলো থেকে বাংলাদেশে ট্রাকে করে মরিচ পাঠানো হতো। এবারই প্রথম ট্রেনে করে বেনাপোল স্থলবন্দর পর্যন্ত মরিচ এলো।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বাঁধার মুখে পড়ে। তবে পার্সেল ট্রেন সার্ভিস চলাচলের মাধ্যমে এ বাধা কাটানোর চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ৪২টি বিসিএন ওয়াগনে গুডস ট্রেন চলাচল করছে। কিন্তু ছোট বা কাঁচামাল আমাদানিকারকদের গুডস ট্রেনে মালামাল আনা সম্ভব হচ্ছিলো না। অপরদিকে সড়কপথে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রফতানিতে সমস্যা হচ্ছিলো। তাই ভারতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি সচল রাখতে এ পার্সেল ট্রেন বা লাগেজ ভ্যান চালু করা হচ্ছে বলে রেলের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশের রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, আমদানিকারকদের চাহিদার ভিত্তিতে ইন্ডিয়ান পার্সেল ট্রেন নিয়মিত চলাচল করবে। তবে প্রথম আসছে বলে এ ইন্ডিয়ান পার্সেল ট্রেনের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তিতে উভয় দেশের ট্রেনের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা আলোচনা করে চলাচলের সময় নির্ধারণ করবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ট্রাফিক) মিয়াজাহান বলেন, করোনার প্রদুর্ভাবের কারণে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি সাময়িক বন্ধ রাখার পরে চালু করা হলেও সড়কপথে সমস্যা হচ্ছিলো। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ পার্সেল ট্রেন চলাচলের প্রস্তাব আসে। এতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্মতি দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর/আরআর/এসআই/এসআর