দূরবীনপ্রথম প্রহর

ইউরিক এসিড বিড়ম্বনা এড়াতে…

ফাতিমাতুজ্জোহরাডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে ইউরিক এসিড নামটির সম্পর্কে সকলেই অবগত। প্রায় প্রত্যেকের ঘরে ঘরেই ইউরিক এসিডের রোগীর সন্ধাণ মিলে।তবে ইউরিক এসিড সম্পর্কে অনেকেরই ভুল ধারণা রয়েছে। একটু পায়ের গোড়ালি ব্যথা করলে ও গিটে গিটে ব্যথা হলে অনেকেই ধারণা করে থাকে ইউরিক এসিড হয়েছে। ইউরিক এসিড কী? কেন হয় এবং এর প্রতিকার কি সে সম্পর্কে জেনে নিন-

ইউরিক এসিড শরীরে কেন বাড়ে সে সম্পর্কে জানা থাকলে অনেক সতর্ক হওয়া যায়। শরীরের ইউরিক এসিড সাধারণত ইউরিনের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। ইউরিনের মাধ্যমে ইউরিক এসিড যতটা বের হয় এর থেকে যদি বেশি পরিমাণে যকৃতে তৈরি হয় তবে রক্তে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। আমরা যে খাবারগুলো খাই সেগুলো থেকেও ইউরিক এসিড রক্তে জমা হয়। এ ইউরিক এসিড আস্তে আস্তে রক্তে জমা হওয়ার পর কিডনিতে জমে।কিডনি তখন টক্সিক উপাদানকে ছাঁকনি দিয়ে ছাঁকার মতো ছেঁকে বের করে দেয়।

দৈনন্দিন জীবনে অনেক ভুল বা শরীরের জন্য ক্ষতিকর খাবার খেয়ে থাকি। যেসব খাবারগুলোর মাধ্যমে আমাদের দেহের রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। এর মাত্রা এতই বাড়েই যে কিডনি ছাঁকার পরও বাড়তি ইউরিক এসিড দেহের মধ্যে থেকে যায়। আর এ বাড়তি ইউরিক এসিড হাটুসহ বাকি অস্থি সন্ধিগুলোতে জমে থাকে। তাই হাঁটু ব্যথা বা গিটে গিটে ব্যথা হয়ে থাকে। এ ধরণের সমস্যাগুলো মূলত ইউরিক এসিড থেকে হয়। এ কারণে খাবার বুঝে খেতে হবে যাতে শরীরে কোনোভাবেই ইউরিক এসিডের মাত্রা না বাড়ে।

ইউরিক এসিড রোধে করণীয়

ইউরিক এসিড হলে লাল মাংস, সাদা তেল ও সামুদ্রিক মাছ খাওয়া যাবে না। এছাড়াও অতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত কোনো খাবার ত্যাগ করতে হবে। সেইসঙ্গে মুসরের ডাল, পালং শাক ইত্যাদি খাওয়া যাবে না। চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলেও শরীরের ইউরিক এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। যার ফলে কিডনির সমস্যা হতে পারে, গেটে বাত ও উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। এছাড়াও অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো খেয়ে ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। অ্যাপল সিডার ভিনেগার এক চা চামচ পানিতে মিশিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার খেতে হবে। তাহলে ইউরিক এসিড অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আর ইউরিক এসিডের কোনো সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মতো চলুন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস

daily-bd-hrch_cat_news-11-10