Alexa আসামি ধরতে ছয় পুলিশের ‘দুঃসাহসী’ অভিযান

আসামি ধরতে ছয় পুলিশের ‘দুঃসাহসী’ অভিযান

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩২ ২৫ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৫:৩৩ ২৫ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অন্যতম ট্রাস্টি ড. সারওয়ার আলী হত্যাচেষ্টা মামলা একটি আলোচিত ঘটনা ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি মামলা ছিল। 

মামলাটি তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে একে জঙ্গি হামলা হিসেবে ধারণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কয়েকজন আসামি গ্রেফতারের পর জানা গেছে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিল। তদন্তের শুরুর পরই তারা ফরহাদ নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করে। কিন্তু এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী নাজমুলসহ অন্যদের গ্রেফতার করা ছিল তাদের বড় চ্যালেঞ্জ।  

পলাতক নাজমুলকে গ্রেফতারে পিবিআই উত্তরের ছয় সদস্যদের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে যখন তারা আসামির হাতে হ্যান্ডকাপ পড়ায় তখন আসামিসহ উপস্থিত সবাই একটু অবাক হয়ে যায়। কারণ ওই আসামিকে গ্রেফতার করতে যাওয়া সবাই ছিলেন লুঙ্গি পরা।

বুধবার দুপুরে উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার তিন সহযোগী শেখ রনি, ফয়সাল কবির ও মনির হোসেনকেও গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআইয়ের এসআই আলামিন শেখ জানান, অভিযানের কৌশল হিসেবে আগে থেকেই লুঙ্গি পরে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন তারা। তাই আসামি তাদের উপস্থিতি টের পায় নাই।

এই ঘটনার পরে পিবিআই প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমার দুঃসাহসী দল। (অভিযান পরবর্তী সময়) মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অন্যতম ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলীর উত্তরার বাসায় ডাকাতির প্রচেষ্টায় সাতজনের মধ্যে দলনেতাসহ পাঁচজনকে বাগেরহাট, ত্রিশাল, গাজীপুর ও ঢাকা হতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা সকলেই আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ-স্বীকারমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) দলের অভিযানকারী সদস্য ছিলেন যথাক্রমে (বাঁ থেকে) ইন্সপেক্টর জুয়েল মিয়া, ইন্সপেক্টর তরিকুল ইসলাম, সাব-ইন্সপেক্টর আল আমিন শেখ, ইন্সপেক্টর আশরাফুজ্জামান, সাব-ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন ও ৬.কনস্টেবল সুজন মিয়া।’
 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস