আসছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, ডেঞ্জার জোনে ১৫ দেশ

আসছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, ডেঞ্জার জোনে ১৫ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:২৩ ১০ জুন ২০২০   আপডেট: ১৬:৪৯ ১০ জুন ২০২০

ছবিঃ ডেইলি বাংলাদেশ

ছবিঃ ডেইলি বাংলাদেশ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে এরইমধ্যে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩ জন। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ১৪ হাজার নয় জনের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস'র এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি সিকিউরিটিজ রিসার্চ ফার্ম সংস্থা নমুরা'র সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, করোনা আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিবহুল ১৫টি দেশের মধ্যে চলে এসেছে ভারত। নমুরা'র জরিপ করা হয়েছে বিশ্বের ৪৫টি বড় অর্থনীতির ওপর। লকডাউন তোলার ফলে করোনা আক্রান্ত কতটা হারে বাড়ছে, তার উপরেই সমীক্ষাটি চালানো হয়।

জরিপে তিন ভাগে ৪৫টি দেশকে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমটি হল, অন ট্র্যাক অর্থাৎ সব কিছু স্বাভাবিক। দ্বিতীয় হচ্ছে, ওয়ার্নিং সাইনস বা সতর্কতার লক্ষণ এবং তৃতীয় হল ডেঞ্জার জোন বা দ্বিতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি প্রবল। ভারত পড়ছে ওই বিপজ্জনক জোনে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা সেকেন্ড ওয়েভের ঝুঁকি প্রবল, এমন দেশগুলোর তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে ভারত।

রিপোর্টটিতে আরো বলা হয়েছে, জরিপে একটি মিশ্র ফলাফল এসেছে। অর্থনীতির বড় অংশ খুলে গেছে, এমন ১৭টি দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আসার লক্ষণ নেই। ১৩টি দেশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, দ্বিতীয় ঢেউয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। তবে ঝুঁকি তুলনামূলক কম। ১৫টি দেশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, দ্বিতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি প্রবল। এই সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে ভারতও।

সংস্থার বিশ্লেষণ বলছে, লকডাউন ওঠার ফলে দুটি চিত্র তৈরি হতে পারে। প্রথমত ভালো দিকটি হল, একটি দেশের জনসাধারণের গতিশীলতা বা সজীবতা দ্রুত ফিরছে। সংক্রমণের হার কম, ফলে মানুষের মনের ভীতি কমছে। যার ফলে অর্থনীতির চাকা ঘুরছে।

দ্বিতীয় বা খারাপ চিত্রটি হল, অর্থনীতির চাকা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে মানুষের মনে ভয় বাড়ছে। সে ক্ষেত্রে লকডাউন আবার জারি করা হতে পারে।

ভারতের সঙ্গে নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত আয়ের জনসংখ্যার দেশগুলোর মধ্যে এই জোনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, চিলি, পাকিস্তানের মতো দেশগুলো। আর উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সুইডেন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডা।

অন ট্র্যাক বা ঝুঁকি প্রায় নেই, এমন দলে রয়েছে- ফ্রান্স, ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়া। জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মতো দেশগুলো ঝুঁকিপ্রবণ গোষ্ঠীতে রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচএফ