আম্ফানে মৃত্যুর মুখে পড়েছিলেন রাসেল, বড় ক্ষতিতে তার ফার্ম

আম্ফানে মৃত্যুর মুখে পড়েছিলেন রাসেল, বড় ক্ষতিতে তার ফার্ম

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:০৪ ২৩ মে ২০২০  

আম্ফানের সময় এই খামারের মাঝেই ছিলেন রাসেল

আম্ফানের সময় এই খামারের মাঝেই ছিলেন রাসেল

বুধবার দিবাগত রাতে দেশে আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার সৈয়দ রাসেলও। ঝড়ের মুখে প্রাণসংশয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত কিছু হয়নি তার। তবে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে রাসেলের এগ্রো ফার্ম। 

ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে বড় ধরণের ক্ষতি হয়েছে উপকূলীয় জেলাগুলোতে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বেশ কয়েকজন মারাও গেছেন। ফসলি জমিসহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে আরো অনেক কিছু। তেমনি যশোরে তৈরি করা সৈয়দ রাসেলের এগ্রো ফার্মও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে সেই ফার্মের দুইটা ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে আশেপাশের গাছগাছালিও। ফার্মে থাকা গরুগুলো কোনরকমে বাঁচলেও আর্থিকভাবে বড় ক্ষতি হয়েছে তার।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ফার্মএ ব্যাপারে রাসেল বলেন, 'আমার এই ফার্মে দুইটা চালা আছে। লম্বায় একেকটা চালা প্রায় ৮০ ফুট। ঝড়ের ফলে দুইটাই উড়ে গেছে। যে চালার নিচে গরু থাকে সেটার তো কোন অস্তিত্বই নাই। সবগুলো গরুর গায়ের উপরে ভেঙে পড়েছে। পর দিন সকালে ওগুলো সব কেটে সরিয়ে তারপর গরুগুলো বের করেছি।'

ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে তিনি বলেন, 'আল্লাহর অশেষ রহমতে গরুগুলোর খুব বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। ফার্মে সর্বমোট ১৯টি গরু ছিল। একটা ছাড়া সবগুলোই মোটামুটি ভালো আছে। আবার নতুন করে সব ঠিক করতে গেলে প্রায় ৫ লাখ টাকার মতো খরচ হবে।' 

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ফার্মআম্ফানের সময় নিজ ফার্মেই উপস্থিত ছিলেন রাসেল। এমনকি উড়ে যাওয়া টিনের চালার নিচেই ছিলেন তিনি। পরে পরিস্থিতি বুঝে কোনরকমে পালিয়ে যান। এ ব্যাপারে রাসেল বলেন, 'ঝড়ের সময় আমি আমার খামারেই উপস্থিত ছিলাম। ঝড়ের মাত্রা এত বেশি ছিল যে, সেখানে থাকার মত অবস্থা ছিল না। একসময় এমন হয় যে আমাদের সহ উড়িয়ে নিয়ে যাবে। ওখানে আমরা তিনজন ছিলাম। পরে যখন বুঝলাম অবস্থা বেগতিক, তখন আমরা কোনোরকমে নিরাপদ স্থানে চলে যাই।'

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল