আম্ফানে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন ৩০ মে’র মধ্যে দেয়ার নির্দেশ

আম্ফানে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন ৩০ মে’র মধ্যে দেয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৩৯ ২৪ মে ২০২০   আপডেট: ১৯:০৭ ২৪ মে ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ ও পুনর্বাসনে আগামী ৩০ মে’র মধ্যে সব নির্বাহী প্রকৌশলীদের সরেজমিন পরিদর্শন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। একইসঙ্গে পোল্ডারসমূহের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বৃক্ষরোপন করার কথাও জানান তিনি।

রোববার রাজধানীর গ্রিন রোডে যৌথ নদী কমিশনের সভা কক্ষে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

সভায় বলা হয়, উপকূলাঞ্চলে ব্যাপকভাবে শস্যহানি হয়নি। তবে প্রায় ১ লাখ লোক পানি বন্দী, যার মূল কারণ পানি নিষ্কাশন অব্যবস্থাপনা ও পুরাতন বাঁধ। এছাড়া খুলনার কয়রা, দাকোপ এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার আনুমানিক ১৭০ জায়গায় প্রায় ৯৯টি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এ এম আমিনুল হক, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, গত ২২ ও ২৩ মে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলা পরিদর্শন করেন পানি সচিব কবির বিন আনোয়ার। পরিদর্শনের সময় স্থানীয় প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা করেন পানি সচিব কবির বিন আনোয়ার। ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ ও পুনর্বাসনের এই সভায় পানি সচিব তার সফর সম্পর্কে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং পানি সম্পদ উপমন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।

২৭ মে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর এলাকা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের কথা রয়েছে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের।

এর আগে ২২ মে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হেলিকপ্টারে পরিদর্শন করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/এমআরকে