Alexa আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট গাম্বিয়া

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট গাম্বিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৩৭ ২৩ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৯:৪৭ ২৩ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলায় মিয়ানমারকে অভিযুক্ত করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। এছাড়া এই সমস্যার সমাধানে মিয়ানমারকে ৪টি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশও দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে আইসিজে’র এই পদক্ষেপে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে মামলাকারী দেশ গাম্বিয়া।

আইসিজে’র আদেশের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মামলার বাদী গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ অবসানে এটি একটি ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুরক্ষায় বিশ্বকে এখন এগিয়ে আসতে হবে।

বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ-এ অবস্থিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে গাম্বিয়ার করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার অন্তর্বর্তীকালীন রায় প্রদান করা হয়। সেখানে ১৭ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বিচারিক দলের পক্ষে ৪টি অন্তবর্তী আদেশ ঘোষণা করেন আদালতের প্রেসিডেন্ট বিচারক আব্দুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ।

আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশগুলো হলো-মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীকে সব ধরনের গণহত্যার অপরাধ ও গণহত্যার ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার নির্দেশ, গণহত্যা সনদের ধারা ২–এর আওতায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সব ধরনের সুরক্ষা দেয়ার বাধ্যবাধকতা মিয়ানমারকে পূরণ করতে হবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা, নিপীড়ন বন্ধ এবং বাস্তুচ্যুতির মতো পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে মিয়ানমারের বিরত থাকা। তা ছাড়া মিয়ানমারকে গণহত্যা কনভেনশন মেনে চলতে বলা হয়েছে। গণহত্যার প্রমাণ ধ্বংস করা যাবে না। সশস্ত্র বাহিনী ফের কোনো গণহত্যা ঘটাতে পারবে না। চার মাস পরপর মিয়ানমারকে আদালতে রিপোর্ট দিতে হবে।

এই আদেশের পর মিয়ানমারের প্রতিনিধি এবং আইনজীবীরা আদালতের আদেশের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি জাতিসংঘের জেনেভা দপ্তরের স্থায়ী প্রতিনিধি এই আদেশকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। দ্য হেগে সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল আজিজ আবুহামেদ মামলার এই রায়কে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় একটি বড় অগ্রগতি বলে মন্তব্য করেছেন। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রতিনিধি তুন খিন এই রায়কে একটি মাইলফলক বলে বর্ণনা করেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী