Alexa ১১ জনকে বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন দমকলকর্মী

১১ জনকে বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন দমকলকর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৫২ ৮ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:৫৮ ৮ ডিসেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কারখানায় রোববার ভোরে হঠাৎই আগুন লাগে। ঘুমের মধ্যেই দগ্ধ হয়ে চিরঘুমে চলে যায় ৪৩ প্রাণ। জখম হন ৫০-এরও বেশি মানুষ। হতাহতের সংখ্যা আরো যে বাড়েনি, তার জন্য নিঃসন্দেহে প্রশংসা প্রাপ্য দমকল বাহিনীর। লেলিহান আগুনের শিখা উপেক্ষা করেই তাতে ঝাঁপ দিলেন বেশ কয়েকজন দমকলকর্মী। সোজা ঢুকে পড়েছিলেন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা কারখানার ভিতরে। তেমনই এক দমকলকর্মীর দুর্দম সাহস ও প্রচেষ্টার জেরে প্রাণ বেঁচেছে ১১ জনের। ভারতের দিল্লির আনাজ মাণ্ডির ঘিঞ্জি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

দিল্লির দমকলকর্মী রাজেশ শুক্লা। কর্তব্য ও মানবিকতাকে সর্বাগ্রে রেখে রোববার তিনি বাঁচিয়েছেন ১১টি প্রাণ। উদ্ধারকাজে নিজেও দগ্ধ হয়েছেন। পায়ে আঘাত লেগে তিনি বর্তমানে এলএনজেপি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালে তাকে দেখতে যান দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তিনি ট্যুইটে লিখেছেন, 'দমকলকর্মী রাজেশ শুক্লা প্রকৃত নায়ক। আগুনের স্থলে প্রথম দমকলকর্মী হিসেবে তিনি প্রবেশ করেন। তিনি ১১টা প্রাণ বাঁচিয়েছেন। হাড়ে আঘাত লাগা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তিনি তার কাজ করে গেছেন।’ 

রোববার ভোর ৫টা নাগাদ আগুন লাগে দিল্লির আনাজ মাণ্ডির রাণী ঝাসি রোডে এক বহুতলে। ওই বহুতলটির মধ্যে চামড়া করাখানা, প্যাকিং দ্রব্যের কারখানায় ও প্লাসিটের কারখানা ছিল বলে জানা গিয়েছে।

ভোর বেলায় আগুন লাগায় শ্রমিকরা কেউই সেভাবে টের পাননি। বহুতলে আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ২৭টি ইঞ্জিন। প্রায় দেড়শো দমকলকর্মী উদ্ধার করেন ৬৩ জনকে। ঘিঞ্জি গলিতে বহুতলটি হওয়ায় উদ্ধারকাজে অসুবিধার সন্মুখীন হয় দমকল।

কী কারণে আগুন লেগেছে ঘটনার তদন্তে নেমেছে দমকল। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ঘিঞ্জি গলিতে বাড়ির মধ্যেই তিনটি কারখানা বৈধ কাগজ রয়েছে কিনা তদন্ত চালানো হচ্ছে।

এই ঘটনায় মালিকের ভাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ