Alexa আখাউড়ায় ব্রি ধান-৬২ কাটার ধুম 

আখাউড়ায় ব্রি ধান-৬২ কাটার ধুম 

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:৩৩ ১৩ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:৩৬ ১৩ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় চাষ করা জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৬২ কাটার ধুম পড়েছে। এরইমধ্যে অনেক কৃষক ধান মাড়াই করছেন। আর তাদের সঙ্গে কাজে পাল্লা দিচ্ছেন কৃষকদের স্ত্রীরা। এদিকে বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি দেখা গেছে। 

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, চলতি আমন মৌসুমে পৌর শহরসহ উপজেলার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে নতুন প্রযুক্তির জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৬২ জাত ৩০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়। এ মৌসুমে কৃষকরা জিংক ধান চাষ করে চমক সৃষ্টি করেছে। মৌসুমের শুরু থেকে আবহাওয়া ও প্রকৃতি অনুকূলে থাকায় জমিতে তেমন রোগের আক্রমণ দেখা যায়নি। 

কৃষক আলমগীর বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ধান ১০০ দিনে কাটা যায়। প্রতি বিঘায় ১৭ থেকে ২০ মণ ধান হয়। এ ধান ছাড়া অন্য ধান চাষ করলে ২০-২৫ দিন সময় বেশি লাগত। 

পৌর এলাকার কৃষক জুহরুল হক বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ধান প্রথম ৪ বিঘা জমিতে চাষ করা হয়েছে। এ জাতের ধান ফলনে খুবই খুশি। কম খরচে আর স্বল্প সময়ে ধানটি পাওয়া গেছে। ধান কাটার পর জমিতে আরো একটি রবি শস্য করতে পারব। এ ধানের চাল আকারে বেশ লম্বা, সরু ও সাদা। 

উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক বলেন, এ ধান চাষ করতে স্থানীয় চাষিদেরকে নিয়মিত পরামর্শ দেয় কৃষি বিভাগ।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব। কৃষি ক্ষেত্রে উন্নতির জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৬২ এর প্রতি কেজিতে ১৯ মিলিগ্রাম জিংক রয়েছে। এ জিংক মা ও শিশুর শরীর গঠন উন্নত করে। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
 
তিনি আরো বলনে, জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষে কৃষকরা লাভবান হতে পারেন। এমনকি গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতে পারে। সঠিক নিয়মে ধানের জাতটি চাষ করলে ১০০ দিনের মধ্যে এ ধান কাটা যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ