আকাশের ‘তারা’ হয়ে থাকবে সুশান্ত

আকাশের ‘তারা’ হয়ে থাকবে সুশান্ত

বিনোদন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:১৭ ৭ জুলাই ২০২০  

সুশান্ত সিং রাজপুত

সুশান্ত সিং রাজপুত

অভিনেতা হিসেবে তিনি কতটা দক্ষ তা বারবার প্রমাণ করেছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। কিন্তু শুধু অভিনয় জগতের মধ্যেই নিজেকে বন্দী রাখেননি তিনি। নানা বিষয় নিয়ে তার প্রবল আগ্রহ ছিল। কখনো নাচ, কখনো গান, কখনো লেখা, কখনো জ্যোতির্বিদ্যা, কখনো পদার্থবিদ্যা বিভিন্ন বিষয়ের উপর তার অগাধ জ্ঞান ও চর্চা ছিল। এর মধ্যে বিশেষ করে জ্যোতির্বিদ্যা মহাকাশ নক্ষত্র এসব নিয়ে তিনি প্রায়ই চর্চা করতেন। আর তাই এবার আকাশের একটি তারার নামকরণ হলো সুশান্তের নামে।

অভিনয় জগতে একেবারে বাইরে থেকে এসে খুব শীঘ্র তারকার খেতাব জয় করেছিলেন সুশান্ত। তার মিষ্টি হাসি ও কোনো উজ্জ্বল নক্ষত্রের থেকে কম নয়। আর মহাকাশ নিয়ে তার যে প্রবল আগ্রহ, সবকিছু মিলিয়ে এই নতুন তারা নামটি সুশান্তের নামে হওয়ায় অবশ্যই সার্থকতা মিলেছে। ‘আকাশের বুকে বেঁচে থাকুক তারা হয়ে। আর তাই এক ভক্ত অভিনেতাকে চির স্মরণীয় করে রাখার জন্য তারার নাম দিয়েছেন সুশান্তের নামে।

এমনকি সেই অনুরাগী এই তারার নাম সুশান্তের নামে রেজিস্ট্রেশন করে নিয়েছেন। সেই রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন তিনি। মুহূর্তে সেই সার্টিফিকেটের ছবি ভাইরাল হয়। সুশান্ত অন্যান্য অনুরাগীরা এই উদ্যোগে খুশি হয়েছেন।

সুশান্ত এভক্ত সার্টিফিকেটটি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, সুশান্ত বরাবরই নক্ষত্রদের খুব ভালোবাসতেন। তাই তাকে শ্রদ্ধা জানাতে হলে এই তারার নামকরণ হোক সুশান্ত নামে। এভাবেই তার মতো একজন অসম্ভব গুণী ও প্রতিভাবান মানুষ সবসময় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

গত ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় সুশান্ত সিং রাজপুত এর ঝুলন্ত দেহ। পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানাচ্ছে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। বহুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। যদিও একের পর এক নানা রকমের তথ্য উঠে আসার ফলে সুশান্তের অনুরাগীরা মানতে নারাজ যে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন।

অনেকেই মনে করছেন আত্মহত্যা করলেও তার পিছনে রয়েছে বড় রহস্য। তাই ঘটনাটির বিষয়ে তদন্ত করছে মুম্বাই পুলিশ। এখনো পর্যন্ত ২৮ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বাই পুলিশ। এদের মধ্যে রয়েছেন সুশান্তের পরিবার বন্ধু-বান্ধব ও কাজের সূত্রে যুক্ত কয়েকজন। বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী ও তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীর।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস