অসুস্থতা এবং পেরেশানিও একটি নেয়ামত (পর্ব-৩)

অসুস্থতা এবং পেরেশানিও একটি নেয়ামত (পর্ব-৩)

নুসরাত জাহান ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৫১ ১৩ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৬:২৬ ১৩ জুলাই ২০২০

‘হে আল্লাহ! আমি দুঃখ-কষ্টে পড়েছি। তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। তুমি আমার এ দুঃখ-কষ্ট দূর কর ‘ (সূরা: আমবিয়া, আয়াত: ৮৩)

‘হে আল্লাহ! আমি দুঃখ-কষ্টে পড়েছি। তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। তুমি আমার এ দুঃখ-কষ্ট দূর কর ‘ (সূরা: আমবিয়া, আয়াত: ৮৩)

হজরত ডা. আবদুল হাই (রহ.) বলতেন, আগেকার যুগের লোকেরা যখন নিজেদের সংশোধনের জন্য কোনো শায়েখ বা বুজুর্গের কাছে যেতেন, বুজুর্গ ও শায়েখরা তাদের দ্বারা অনেক মুজাহাদা ও সাধনা করাতেন। সেগুলো ছিল ঐচ্ছিক বা ইচ্ছাধীন মুজাহাদা। বর্তমান যুগে এত বড় বড় মুজাহাদা করানো হয় না। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বান্দাদেরকে মুজাহাদা থেকে বিরত করেননি। 

আরো পড়ুন >>> অসুস্থতা এবং পেরেশানিও একটি নেয়ামত (পর্ব-২)

অনেক সময় আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এ ধরনের বান্দাদেরকে অনিচ্ছাধীন ও বাধ্যতামূলক মুজাহাদা করানো হয়। সেই অনিচ্ছাধীন মুজাহাদার মাধ্যমে মানুষের যত উন্নতি হয় তা ঐচ্ছিক মুজাহাদার তুলনায় অধিক দ্রুত হয়ে থাকে। সাহাবায়ে কেরামের জীবনে ঐচ্ছিক মুজাহাদা এত বেশি ছিল না। উদাহরণত, জেনে-বুঝে তারা উপবাস করতেন না। কিন্তু তাদের জীবনে অনিচ্ছাধীন মুজাহাদার পরিমাণ ছিল অসংখ্য । শুধু কালেমায়ে তাইয়েবা পড়ার অপরাধে মরুভূমির তপ্ত বালুর ওপর তাদেরকে চিৎ করে শুইয়ে দেওয়া হত। বুকের ওপর ভারী পাথর চাপা দেয়া হত। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সঙ্গ দেওয়ার অপরাধে তাদের ওপর আরো কত অজানা ও অবর্ণনীয় জুলুম-অত্যাচার করা হত। এগুলো সব ছিল অনিচ্ছাধীন বা ইযতেরারি মুজাহাদা। এসব অনিচ্ছাধীন মুজাহাদার কারণে সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্য কেউ তাদের সমান মর্যাদা লাভ করতে পারে না। তাই বলা হয়, অনিচ্ছাধীন বা ইযতেরারি মুজাহাদা দ্বারা অতি দ্রুত মর্যাদা বৃদ্ধি হয়। তাই মানুষের জীবনে সেসব বিপদ-আপদ, দুঃখ-কষ্ট ও রোগ-ব্যাধি আসে এগুলোর মাধ্যমে অনিচ্ছাধীন মুজাহাদা করানো হয়। সেগুলোকে আমরা মনে করি, বিপদ-আপদ। মূলত সেগুলো আল্লাহ তায়ালার রহমত ও মহব্বতের নিদর্শন।

কষ্ট ও মসিবতের তৃতীয় উদাহরণ:

ধরুন, একটি শিশু। সে হাত-মুখ ধুতে, গোসল করতে ভয় পায়। গোসল করতে তার কষ্ট হয়। কিন্তু মা জোর করে ধরে নিয়ে তাকে গোসল করিয়ে দেয়। তার দেহের ময়লা দূর করে দেয়। গোসল করার সময় শিশুটি কাঁদতে থাকে। চিৎকার জুড়ে দেয়। এরপরও মা তাকে ছাড়ে না। বাচ্চা মনে করে আমার ওপর জুলুম ও অন্যায় করা হচ্ছে। আমাকে কষ্ট দেয়া হচ্ছে। কিন্তু মা স্নেহ ও ভালবাসার কারণে বাচ্চাকে গোসল করায়। তার শরীরের ময়লা দূর করে দেয়। যখন শিশুটি বড় হয় তখন সে বোঝে আমাকে ধোয়ানো ও গোসল করানোর যে কাজ মা করতেন তা স্নেহ-ভালবাসা থেকেই করতেন। আমি একে অন্যায় ও জুলুম মনে করতাম। আমার মা যদি আমাকে গোসল না করাতেন, পাক-সাফ না করতেন তা হলে আমি সবসময় দুর্গন্ধযুক্ত ও অপরিষ্কারই থাকতাম।

কষ্ট ও মসিবতের চতুর্থ উদাহরণ:

ধরুন, একটি ছেলেকে মা-বাবা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন সকালবেলা মা-বাবা জোর করে স্কুলে পাঠায়। স্কুলে যাওয়ার সময় ছেলেটি চিৎকার করে কাঁদে। স্কুলে চার-পাঁচ ঘণ্টা বসে থাকাকে সে নিজের জন্য বন্দীদশা মনে করে। কিন্তু বাবা-মা সন্তানের প্রতি ভালবাসা থেকেই কাজটি করে। ছেলে বড় হয়ে বোঝে, যদি বাবা-মা আমাকে জোর করে স্কুলে না পাঠাত, আমাকে না পড়াত, তাহলে আজ আমি শিক্ষিত লোকের কাতারে শামিল হতাম না। বরং মূর্খই থেকে যেতাম।

এমনিভাবে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মানুষের ওপর যেসব পেরেশানি আসে, বান্দার প্রতি ভালবাসা থেকেই সেগুলো তিনি দিয়ে থাকেন। এর মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তবে বিপদ-আপদ আসার পর বান্দার আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষিতা পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পেলে তবেই বুঝা যাবে, এসব বিপদ-আপদ আলাহ তায়ালার পক্ষ থেকে রহমত ও দয়া।

হজরত আইয়ুব (আ.) এবং বিপদ-আপদ:

হজরত আইয়ুব (আ.) এর কথা স্মরণ করুন। তিনি যে মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তার কথা চিন্তা করলেই দেহের লোম দাঁড়িয়ে যায়। এমন মারাত্মক রোগে আক্রান্ত অবস্থায় তার কষ্ট বাড়িয়ে দেয়ার জন্য শয়তান কাছে এসে বলে, আপনার গুনাহর কারণেই এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা আপনার প্রতি অসন্তুষ্ট। এ কারণেই আপনাকে তিনি এই বিপদে ফেলেছেন। এ কথার পক্ষে শয়তান বিভিন্ন দলিল প্রমাণ উপস্থাপন করে। তখন হজরত আইয়ুব (আ.) শয়তানের সঙ্গে বিতর্কে অবতীর্ণ হয়। বাইবেলের আইয়ুবি চ্যাপ্টারে এখনো সেই বিতর্ক সম্পর্কে কিছু বর্ণনা আছে। হজরত আইয়ুব (আ.) শয়তানের জবাবে বলেন, এই রোগ-ব্যাধি ও বিপদ-আপদ আমার গুনাহর কারণে আল্লাহর পক্ষ থেকে আজাব ও গজব হিসেবে এসেছে। তোমার এ কথা সঠিক না। বরং এসব দুঃখ-কষ্ট ও বিপদ-আপদ আমার খালিক ও মালিক আল্লাহ তায়ালার মহব্বতের নিদর্শন। তিনি আমার প্রতি ভালবাসা থেকেই এসব দুঃখ-কষ্ট আমাকে দিয়েছেন। আমি আল্লাহর কাছে এই দোয়া অবশ্যই করি যে, হে আল্লাহ, আমাকে ব্যাধি থেকে আরোগ্য দান করুন। কিন্তু এই ব্যাধি নিয়ে আল্লাহ তায়ালার ওপর আমার কোনো অভিযোগ নেই। এ বিষয়ে আমার কোনো প্রশ্ন ও আপত্তি নেই। আলহামদুলিল্লাহ! প্রত্যহ আমি আল্লাহর দিকে রুজু হয়ে এই দোয়া করি,

أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ 

‘হে আল্লাহ! আমি দুঃখ-কষ্টে পড়েছি। তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। তুমি আমার এ দুঃখ-কষ্ট দূর কর।’ (সূরা: আমবিয়া, আয়াত: ৮৩)।

আল্লাহ তায়ালার প্রতি রুজু হওয়াই প্রমাণ করে, আমার দুঃখ-কষ্ট আল্লাহর দান এবং তাঁর দয়া ও ভালবাসার নিদর্শন।

কষ্ট ও মসিবত রহমত হওয়ার আলামত:

কোন্ ধরনের বিপদ-আপদ আল্লাহর পক্ষ থেকে আজাব ও শাস্তিরূপে প্রেরিত এবং কোন্ ধরনের বিপদ-আপদ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে রহমত ও ভালবাসার নিদর্শনরূপে প্রেরিত?

হজরত আইয়ুব (আ.) এ প্রশ্নের সমাধান বলে দিয়েছেন। প্রথম প্রকার বিপদ-আপদে মানুষ আল্লাহ তায়ালার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, আল্লাহ তায়ালার তাকদিরের ওপর প্রশ্ন ও আপত্তি তোলে। আল্লাহ তায়ালার দিকে রুজু করে না। আর দ্বিতীয় প্রকার বিপদ-আপদে আল্লাহ তায়ালার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ হয় না। বরং বান্দা দোয়া করে যে, হে আল্লাহ! আমি দুর্বল। আমি এসব দুঃখ-কষ্ট ও বিপদ-আপদ বরদাশত করতে পারছি না। নিজ অনুগ্রহে আমাকে এসব বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্ট থেকে বের করুন। তাই যখনি কোনো বিপদ-আপদ বা পেরেশানির সম্মুখীন হলে কিংবা রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে আল্লাহ তায়ালার দিকে রুজু করার তাওফিক হয়, তখনি বুঝে নিয়ো আলহামদুলিল্লাহ! এসব রোগ-ব্যাধি ও দুঃখ-কষ্ট আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ প্রেরিত হয়েছে। এমতাবস্থায় ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। কেননা পরিণতিতে ইনশাআলাহ! এসব দুঃখ-কষ্ট তোমার জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ বয়ে আনবে। যদি এসব বিপদ-আপদ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে আজাব ও শাস্তিরূপে প্রেরিত হত তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার দিকে রুজু করার তাওফিক দিতেন না। যখন তিনি তাঁর দিকে রুজু করার তাওফিক দিচ্ছেন, তাই তা এই কথার আলামত যে, এসব দুঃখ-কষ্ট আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

দোয়া কবুল হওয়ার আলামত:

এখন প্রশ্ন হলো, বিপদ-আপদে যখন আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করা হয়, আল্লাহর দিকে রুজু করা হয়, এরপরও অনেক সময় বিপদ-আপদ ও পেরেশানি যায় না এবং দোয়াও কবুল হয় না। এর উত্তর হলো, আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করা এবং অনুনয়-বিনয় করার তাওফিক লাভ হওয়াই এই কথার আলামত যে, আমাদের দোয়া কবুল হয়ে গিয়েছে। নচেৎ দোয়া করার তাওফিকই লাভ হত না। এই সুরতে বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্টের জন্য আলাদা পুরস্কার পাওয়া যাবে। দোয়া করার জন্য আলাদা পুরস্কার পাওয়া যাবে। একবার দোয়ার পর দ্বিতীয়বার দোয়ার যে তাওফিক লাভ হবে তার জন্য আলাদা পুরস্কার পাওয়া যাবে। এভাবে বিপদ-আপদ মর্যাদা বৃদ্ধির উপায় হবে। এই সম্পর্কে মাওলানা রুমি (রহ.) বলেন,

‘যখন তুমি আমার নাম নাও, আল্লাহ বলো, তোমার এ আল্লাহ বলাই আমার পক্ষ থেকে লাব্বায়িক বলা।’

তোমার আল্লাহ বলাই এ কথার আলামত যে, আমি তোমার ডাক শুনেছি। এবং তা কবুল করে নিয়েছি। তাই দোয়ার তাওফিক পাওয়াই আমার পক্ষ থেকে দোয়া কবুল হওয়ার আলামত। হ্যাঁ! আমার হেকমতের দাবি হলো কখনো আমি তোমাদের থেকে সেই বিপদ-আপদ দূর করি। কখনো তা বাকি রাখি। তোমরা দ্রুততা পছন্দকারী। তাই তোমরা তাড়াতাড়ি কষ্ট দূর হওয়ার আকাক্সক্ষা কর। কিন্তু যদি বিপদ-আপদ বিলম্ব করে দূর করা হয়, তা হলে এর ফলে তোমাদের মর্যাদা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

হজরত হাজি ইমদাদুল্লাহ (রহ.) এর একটি ঘটনা:

বিপদ-আপদ চাওয়ার জিনিস না। এই দোয়া করা উচিত না, হে আল্লাহ! আমাকে বিপদ-আপদ দিন। কিন্তু বিপদ-আপদ চলে এলে ধৈর্যধারণ করতে হয়। ধৈর্য ধারণের অর্থ হলো, বিপদ-আপদে আল্লাহর ওপর অভিযোগ না করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদ-আপদ থেকে পানাহ চেয়েছেন। এক দোয়ায় তিনি বলেন, হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে বাজে ব্যাধি ও দুষ্টু রোগ থেকে পানাহ চাই। কিন্তু যখন দুঃখ-কষ্ট এসে পড়েছে তখন তিনি তাকে রহমত মনে করেছেন। তা দূর হওয়ার জন্য দোয়া করেছেন। হজরত থানবি (রহ.) একটি ঘটনা লিখেছেন। একবার হজরত হাজি ইমদাদুল্লাহ (রহ.) উপস্থিত লোকদের সামনে এই মর্মে বক্তব্য রাখছিলেন, যত দুঃখ-কষ্ট হয় সব আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ও পুরস্কার। তবে শর্ত হলো, বান্দাকে সেটাকে পুরস্কার মনে করে করতে হবে। আল্লাহ তায়ালার দিকে রুজু করতে হবে। বক্তব্য চলাকালে একব্যক্তি মজলিসে উপস্থিত হলো। লোকটি একটি মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত ছিল। সেই ব্যাধির কারণে তার পুরা দেহ গলে গিয়েছিল। মজলিসে উপস্থিত হয়েই তিনি হজরত হাজি সাহেব (রহ.)-কে বলেন, হজরত, দোয়া করুন, যাতে আল্লাহ তায়ালা আমার এই কষ্ট দূর করে দেন। উপস্থিত লোকেরা ভাবছিলেন, হজরত তো এইমাত্র বললেন, যত দুঃখ-কষ্ট হয় সব আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে পুরস্কার ও রহমত। আর এই লোক তার রোগ দূর হওয়ার জন্য দোয়া চাইছে। এখন হজরত কি এই দোয়া করবেন যে, হে আল্লাহ! এই রহমত দূর করে দিন? হজরত হাজি সাহেব (রহ.) দোয়ার জন্য হাত তুলে বললেন, হে আল্লাহ, যে ব্যাধি ও দুঃখ-কষ্ট এই বান্দার আছে, যদিও সেটা আপনার রহমত কিন্তু আমরা আমাদের দুর্বলতার কারণে এই রহমত ও নেয়ামতকে ধারণ করতে পারছি না। তাই হে আল্লাহ! এ অসুস্থতার নেয়ামতকে সুস্থতার নেয়ামত দ্বারা পরিবর্তন করে দিন। এটা হলো দ্বীনের বুঝ। বুজুর্গদের সোহবত দ্বারা এই বুঝ হাসিল হয়।

হাদিসের সারসংক্ষেপ:

আলোচ্য হাদিসের সারকথা হলো, আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো বান্দাকে মহব্বত করেন তখন তাকে বিভিন্ন বিপদ-আপদে ফেলেন। তিনি বলেন, বান্দার কান্নাকাটি, তার আহাজারি ও অনুনয়-বিনয় আমি পছন্দ করি। তাই আমি তাকে দুঃখ-কষ্ট দিই, যাতে দুঃখ-কষ্টের পর সে আমাকে ডাকে। এর ফলে আমি তার মর্যাদা বৃদ্ধি করি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে রোগ-ব্যাধি ও দুঃখ-কষ্ট থেকে হেফাজত করুন। কিন্তু যদি দুঃখ-কষ্ট এসে পড়ে তা হলে ধৈর্যধারণ করার তাওফিক দান করুন। বিপদ-আপদে আপনার প্রতি রুজু হওয়ার তাওফিক দিন। চলবে...

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে