অসুস্থতা এবং পেরেশানিও একটি নেয়ামত (পর্ব-২)

অসুস্থতা এবং পেরেশানিও একটি নেয়ামত (পর্ব-২)

নুসরাত জাহান ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:২৮ ৭ জুলাই ২০২০   আপডেট: ২১:৩২ ৭ জুলাই ২০২০

‘আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করব। তুমি শুভসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদেরকে।’  (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৫)

‘আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করব। তুমি শুভসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদেরকে।’ (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৫)

পৃথিবীতে কোনো মানুষ দুঃখ, বেদনা ও কষ্ট থেকে নিরাপদ না। তবে কারো কষ্ট কম। কারো বেশি। এক-একজনের দুঃখ-কষ্ট এক-একরকম।

আল্লাহ তায়ালা জগতের নিয়ম এভাবে বানিয়েছেন। কাউকে সম্পদ দিয়েছেন। কারো সম্পদ নিয়ে গেছেন। কাউকে সুস্থতার নেয়ামত দান করেছেন। কিন্তু সম্পদের নেয়ামত থেকে বিরত রেখেছেন। কাউকে ধন-সম্পদের নেয়ামত দান করেছেন। কিন্তু সুস্থতার নেয়ামত থেকে বিরত রেখেছেন। কারো ঘরের অবস্থা ভালো। কিন্তু আর্থিক অবস্থা খারাপ। কারো আর্থিক অবস্থা ভালো। কিন্তু পরিবারের কারণে সে অস্থির পেরেশান। মোটকথা, প্রত্যেক ব্যক্তির অবস্থা ভিন্ন ভিন্ন। প্রত্যেকেই কোনো না কোনো কষ্ট ও পেরেশানিতে আছে। 

আরো দেখুন >>> অসুস্থতা এবং পেরেশানিও একটি নেয়ামত পর্ব-১

যদি কারো কষ্ট ও পেরেশানি প্রথম প্রকারভুক্ত হয় তাহলে তা তার জন্য আজাব। আর যদি দ্বিতীয় প্রকারভুক্ত হয় তাহলে তা তার জন্য রহমত ও সওয়াবের কারণ।

নেক্কার বান্দাদের ওপর কষ্ট ও মসিবত কেন:

হাদিস শরিফে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

اذا احب الله عبدا صب عليه البلاء صبا

আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তাকে বিভিন্ন প্রকার কষ্ট ও মসিবত দেন। (কানযুল উম্মাল)।

বিপদ-মসিবত ও দুঃখ-কষ্ট তার ওপর বৃষ্টির মতো বর্ষিত হতে থাকে। এক রেওয়ায়েতে আছে, ফেরেশতারা জিজ্ঞাসা করেন, হে আল্লাহ, এই লোক আপনার প্রিয় ও নেক্কার বান্দা। আপনাকে এ ভালবাসে। তার ওপর কেন আপনি এত বিপদ-মসিবত প্রেরণ করেন? উত্তরে আল্লাহ তায়ালা বলেন, তাকে তার অবস্থায় থাকতে দাও। আমি তার দোয়া, কান্নাকাটি এবং আহাজারি শুনতে পছন্দ করি। এ হাদিস সনদের বিচারে যদিও দুর্বল কিন্তু এমন বক্তব্য একাধিক হাদিসে এসেছে। 
এক হাদিসে আছে, আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে বলেন, তোমরা আমার বান্দার কাছে গিয়ে তাকে বিপদগ্রস্ত কর। আমি তার আহাজারি ও কান্নাকাটি শোনতে পছন্দ করি। মোটকথা, আল্লাহ তায়ালা বলেন, সে আমার প্রিয় বান্দা। আমি তার জন্য কষ্টকে স্থায়ী শান্তির উপায় বানাতে চাই। তার মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চাই। সে যখন আখেরাতে আমার কাছে আসবে, গুনাহ-খাতা মুক্ত হয়ে একেবারে পবিত্র হয়ে আসবে। তাই আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় ও নেক বান্দাদেরকে বিপদ-মসিবত ও দুঃখ-কষ্ট বেশি দিয়ে থাকেন।

ধৈর্য ধারণকারীদের জন্য আল্লাহ তায়ালার নেয়ামত:

জগতে নবীদের চেয়ে অধিক প্রিয় আল্লাহর কাছে আর কেউ নেই। কিন্তু তাদের সম্পর্কে হাদিস শরিফে এসেছে,

أَشَدُّ النَّاسِ بَلاَءً الأَنْبِيَاءُ، ثُمَّ الأَمْثَلُ فَالأَمْثَلُ

‘দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপদ-আপদ আসে নবী রাসূলদের ওপর। এরপর যারা নবীদের যত নৈকট্যভাজন, তাদের ওপর ততবেশি বিপদ-আপদ আসে।

হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে দেখুন, তার উপাধি খলিলুল্লাহ। আল্লাহর বন্ধু। কিন্তু তার ওপর অনেক বড় বড় বিপদ ও মসিবত এসেছে। তাকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছে। প্রিয় সন্তানকে জবেহ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। স্ত্রী ও পুত্রকে ঘাস-পানি ও লতা-পাতাহীন নির্জন মরুপ্রান্তরে রেখে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেন তাকে এসব কষ্ট দেয়া হয়েছে? যাতে তার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। যখন কষ্ট ও মসিবতের জন্য কেয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা লোকজনকে পুরস্কার দেবেন তখন মনে হবে দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট অতি সামান্য ছিল। সেই দুঃখ-কষ্টের কথা লোকেরা বেমালুম ভুলে যাবে।

অন্য হাদিসে আছে, যখন আল্লাহ তায়ালা বিপদে ধৈর্যধারণকারীদেরকে পুরস্কার প্রদান করবেন তখন অন্য লোকেরা তা দেখে আফসোস করবে, আহা! দুনিয়ায় যদি আমাদের চামড়াগুলো কাঁচি দিয়ে কাটা হত আর আমরা তার ওপর ধৈর্যধারণ করতাম তাহলে আজ আমরা কত পুরস্কার পেতাম। (যাদুল মাআদ, ৪/১৮৩)।

কষ্ট ও মসিবতের একটি চমৎকার উদাহরণ:

হাকিমুল উম্মত হজরত আশরাফ আলী থানবি (রহ.) বলেন, দুনিয়ায় বিপদ-মসিবতের উদাহরণ হলো, একব্যক্তির শরীরে কোনো রোগ আছে, যার কারণে ডাক্তার অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেয়। রোগী জানে অপারেশনের সময় কাটা-ছেড়া করা হয়। কষ্ট হয়। কিন্তু এরপরও সে ডাক্তারের কাছে আবেদন করে, জলদি অপারেশন করুন। অন্যকে দিয়ে সুপারিশও করায়। ডাক্তারকে মোটা অঙ্কের ফিও দেয়। বাহ্যিক দৃষ্টিতে মনে হবে, তার ওপর ছুরি চালানোর জন্য সে ফি দিচ্ছে। এটা সে কেন করছে? কারণ সে জানে অপারেশন এবং কাটা-ছেড়ার কষ্ট কিছু সময়ের জন্য। কিছুদিন পর কাটা-ছেড়ার স্থান শুকিয়ে যাবে। কিন্তু এই অপারেশনের পর সুস্থতার যে নেয়ামত লাভ হবে তা এত বড় যে, তার তুলনায় অপারেশনের কষ্ট তেমন কিছুই না।

আর যে ডাক্তার কাটা-ছেড়া করে, যদিও বাহ্যিক দৃষ্টিতে সে কষ্ট দিচ্ছে। কিন্তু রোগীর জন্য তখন তার চেয়ে বড় ও স্নেহশীল আর কেউ নেই। কারণ ডাক্তার অপারেশনের মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তুলছেন। ঠিক এমনিভাবে আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো বান্দাকে বিপদ-আপদ দেন তখন মূলত তার অপারেশন হয়। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা তাকে পাক-পবিত্র করেন। যখন এই বান্দা আমার কাছে আসবে, গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে পাক-পবিত্র অবস্থায় আসবে।

কষ্ট ও মসিবতের আরেকটি উদাহরণ:

ধরুন, আপনার এক প্রিয়জনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আপনার দেখা-সাক্ষাত নেই। তাকে দেখতে মন চাচ্ছে। হঠাৎ সেই বন্ধু আপনার অগোচরে পেছন থেকে এসে আপনাকে প্রচণ্ডভাবে চেপে ধরল। আপনি খুব ব্যথা পেলেন। ফলে আপনার প্রচণ্ড রাগ হলো। আপনার রাগ দেখে আপনার বন্ধু বলল, যদি আমার এই চাপে তোমার কষ্ট হয়ে থাকে তাহলে ঠিক আছে আমি তোমাকে ছেড়ে অন্যকে চেপে ধরি। যদি আপনি সত্যিকার অর্থেই বন্ধুকে ভালবেসে থাকেন তাহলে আপনি তাকে বলবেন, তুমি আরো জোরে চেপে ধর, কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু তুমি অন্য কোথাও যেয়ো না। আমি দীর্ঘদিন থেকে তোমার সাক্ষাতের জন্য পথ চেয়ে আছি। এমনিভাবে আল্লাহ তায়ালাও তার নেক বান্দাকে চেপে ধরেন। যদি বান্দা সত্যিকার অর্থেই আল্লাহ তায়ালাকে ভালবাসে তাহলে সে আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য পাওয়ার তুলনায় চেপে ধরার কষ্ট ও ব্যথাকে কিছুই মনে করবে না।

কষ্ট ও মসিবতে যারা ইন্নালিল্লাহ পড়ে:

আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে যেসব বিপদ-আপদ আসে মূলত বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধির জন্যই সেগুলো আসে। কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَلَنَبْلُوَنَّكُم بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنفُسِ وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ أُولَٰئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ

‘আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করব। তুমি শুভসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদেরকে, যারা তাদের ওপর বিপদ আপতিত হলে বলে, আমরা তো আল্লাহরই এবং নিশ্চিতভাবে তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। এরাই তারা, যাদের প্রতি তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে আশীষ ও দয়া বর্ষিত হয় আর এরাই সৎপথে পরিচালিত। (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৫)।

মোটকথা, আল্লাহ তায়ালার স্বভাব হলো, তিনি কখনো কখনো তার নেক বান্দাদেরকে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য বিপদ-আপদ দিয়ে থাকেন।

একটি আশ্চর্য ঘটনা:

হজরত হাকিমুল উম্মত থানবি (রহ.) লিখেন, এক শহরে দুই ব্যক্তি মুমূর্ষু অবস্থায় মৃত্যুর প্রহর গুনছিল। একজন ছিল মুসলমান। অন্যজন ছিল ইহুদি। ইহুদি লোকটির মনে মাছ খাওয়ার ইচ্ছা জাগল। কিন্তু মাছ কাছে-ধারে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। আর মুসলমান লোকটির মনে যাইতুনের তেল খাওয়ার ইচ্ছা জাগল। আল্লাহ তায়ালা দু’জন ফেরেশতাকে ডাকলেন। একজনকে বললেন, অমুক শহরে একজন ইহুদি মারা যাচ্ছে। তার মাছ খেতে মন চাচ্ছে। তুমি একটি মাছ নিয়ে তার ঘরের সামনের পুকুরে ছেড়ে দাও। যাতে সে মাছ খেয়ে তার ইচ্ছা পূরণ করতে পারে। দ্বিতীয় ফেরেশতাকে বললেন, অমুক শহরে একজন মুসলমানের মৃত্যু আসন্ন। তার যাইতুন-তেল খেতে ইচ্ছা হচ্ছে। তার আলমারির ভেতর যাইতুন-তেল আছে। তুমি গিয়ে ওই তেল নষ্ট করে ফেল। যাতে সে তার ইচ্ছা পূরণ করতে না পারে।

উভয় ফেরেশতা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য রওয়ানা হলো। পথিমধ্যে তাদের দুজনের দেখা হয়ে গেল। একে অন্যকে জিজ্ঞাসা করল, তুমি কোন কাজে যাচ্ছ? প্রথম ফেরেশতা বলল, আমি অমুক ইহুদিকে মাছ খাওয়াতে যাচ্ছি। দ্বিতীয় ফেরেশতা বলল, আমি অমুক মুসলমানের যাইতুন-তেল নষ্ট করতে যাচ্ছি। তারা উভয়ে খুব আশ্চর্য হলো। কি ব্যাপার! দুজনকে বিপরীতমুখী দুইকাজের আদেশ দেয়া হলো! কিন্তু যেহেতু আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ বলে কথা। তাই উভয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার জন্য চলে গেল।

ফিরে আসার পর তারা দুজন আল্লাহর কাছে আরজ করলেন, হে আলাহ, আমরা আপনার নির্দেশ পালন করেছি। কিন্তু বিষয়টি আমাদের বুঝে আসছে না। মুসলমান যে আপনার হুকুম পালন করে, তার কাছে যাইতুন-তেল মজুদ ছিল। এরপরও তার তেল আপনি নষ্ট করে দিয়েছেন। আর অপরপক্ষে একজন ইহুদি। তার কাছে-ধারে মাছ মজুদ ছিল না। কিন্তু এরপরও তাকে মাছ খাইয়েছেন। আসলে বিষয়টা বোঝলাম না?

উত্তরে আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা আমার কাজের হেকমত কী জানবে? আসল কথা হলো, কাফেরের সঙ্গে আমার আচরণ একরকম আর মুসলমানের সঙ্গে আরেকরকম। কাফেরদের সঙ্গে আমার আচরণ এমন হওয়ার কারণ হলো যেহেতু কাফেররাও দুনিয়ায় কিছু ভালো কাজ করে। দান-খয়রাত করে। গরিব ও অসহায় লোকদেরকে সাহায্য করে। তাদের এসব নেক আমল আমার কাছে গ্রহণযোগ্য না। কিন্তু আমি দুনিয়ায় তাদের নেক আমলের বদলা দিয়ে দিই, যাতে তারা যখন পরকালে আমার কাছে আসবে, তাদের নেক আমলের বদলা পরিশোধ অবস্থায় আসবে এবং আমার জিম্মায় তাদের কোনো নেক আমলের প্রতিদান অবশিষ্ট থাকবে না। আর মুসলমানের সঙ্গে আমার আচরণ হলো আমি মুসলমানদের গুনাহর হিসেব দুনিয়াতেই সেরে ফেলি যাতে যখন তারা আমার কাছে আসবে, পাক-পবিত্র হয়ে যেন আসে।

অতএব, এই ইহুদির যতগুলো নেক আমল ছিল আমি সবগুলোর প্রতিদান তাকে দিয়েছি। শুধু একটি নেক কাজের বদলা দেয়া হয়নি এবং সে আমার কাছে আসছে। যখন তার মনে মাছ খাওয়ার ইচ্ছা জাগ্রত হয়, আমি তার ইচ্ছা পুরা করি এবং তাকে মাছ খাইয়ে দিই। যাতে যখন সে আমার কাছে আসবে, তার নেক কাজের হিসেব যেন আগেই পরিশোধ হয়ে যায়। আর এ মুসলমানের অসুস্থ অবস্থায় সব গুনাহই মাফ হয়ে গিয়েছে। শুধু একটি গুনাহ তার বাকি ছিল। এখন সে আমার কাছে আসছে। যদি এই অবস্থায় সে আমার কাছে আসে তা হলে তার আমলনামায় একটি গুনাহ লেখা থাকবে। এ জন্য আমি চেয়েছি তার যাইতুন-তেল নষ্ট করে, তার ইচ্ছা পূরণ না করে, তার মনে একটি আঘাত দিতে। এর মাধ্যমে ওই একটি গুনাহও আমি মাফ করে দেব। যাতে সে যখন আমার কাছে আসবে, একেবারে পাক-পবিত্র হয়ে আসে।

মোটকথা, আল্লাহ তায়ালার হেকমত কে বুঝতে পারে? আমাদের এই ক্ষুদ্র ও সীমাবদ্ধ বিবেক-বুদ্ধি কি তার হেকমত বোঝতে পারে? আল্লাহ তায়ালার হেকমতের অধীনে মহাবিশ্ব সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে। মানুষের সাধ্য নেই তা উপলব্ধি করার। চলবে...

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে