Alexa অভিশংসন তদন্তের মধ্যেই সাক্ষীকে হেনস্থা ট্রাম্পের

অভিশংসন তদন্তের মধ্যেই সাক্ষীকে হেনস্থা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:৫৯ ১৬ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২২:০০ ১৬ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

অভিশংসন তদন্তের প্রকাশ্য শুনানির দ্বিতীয় দিনে এক সাক্ষীকে হেনস্থা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

শুক্রবার মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) শুনানি চলাকালেই সাক্ষী ইউক্রেইনে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মেরি ইউভানোভিচকে টুইটারে বাক্যবাণে জর্জরিত করেন তিনি।

এদিকে তদন্ত চলাকালে ট্রাম্পের এ আচরণকে রীতিমত আগ্রাসন বলে মন্তব্য করেছে বিরোধীদলীয় ডেমোক্রেটরা।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আগামী বছরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডেমোক্রেট নেতা জো বাইডেন ও তার ছেলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করতে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনোস্কিকে টেলিফোনে চাপ দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থারা তাদের কাছে সেই ফোনালাপের রেকর্ড রয়েছে বলে জানিয়েছে। এর ভিত্তিতেই সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্তের ঘোষণা দেয় ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদ।

গত কয়েক সপ্তাহের রুদ্ধদ্বার শুনানি প্রক্রিয়া চলার পর বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে প্রতিনিধি পরিষদের গোয়েন্দা কমিটির সামনে অভিশংসন তদন্তের প্রকাশ্য শুনানি শুরু হয়।

শুক্রবার শুনানিতে সাক্ষ্য দেন মেরি ইউভানোভিচ। কংগ্রেসের সামনে তিনি ইউক্রেইনে নিযুক্ত থাকার সময় কিভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং কিভাবে ট্রাম্প প্রশাসন হঠাৎ করেই এ বছরের শুরুতে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়, তার বর্ণনা দেন।

ডেমোক্রেটদের দাবি, তাদের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টারের বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতি তদন্ত শুরু করতে ইউক্রেইনকে চাপ দেয়ার পথ বাধাহীন করতেই ইউভানোভিচকে ওয়াশিংটন ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

হান্টার বাইডেন ইউক্রেইনের একটি জ্বালানি কোম্পানির পরিচালনা পর্যদের সদস্য ছিলেন।

কংগ্রেসে সাক্ষ্য দেওয়া সময়ই ট্রাম্প একের পর এক টুইটে ইউভানোভিচকে আক্রমণ করেন।

একটি টুইটে ট্রাম্প প্রশ্ন করেন, ‘মেরি ইউভানোভিচ সব জায়গাতেই দুর্নীতি করেছেন। তিনি সোমালিয়া থেকে শুরু করেন, কিভাবে সেটাকে যেতে দেয়া হলো?’

হাউজ ইনটেলিজেন্স কমিটির প্রধান ট্রাম্পের ওই টুইটের বিষয়ে ইউভানোভিচের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট যেটা করার চেষ্টা করছেন আমি সেটা নিয়ে কথা বলতে পারি না। কিন্তু আমার মনে হয় তিনি যেটা করছেন সেটাকে ভয় দেখানো বলা যায়।’

তবে ট্রাম্প তার টুইটকে মোটেও ভয় দেখানোর চেষ্টা বলে মনে করছেন না।

এ সম্পর্কে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অন্য সকলের মতই তারও কথা বলার অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। এটা ভয় দেখানোর কিছু নয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী