অবিশ্বাস্য প্রযুক্তিতে মোড়ানো ট্রাম্পের গাড়ি

অবিশ্বাস্য প্রযুক্তিতে মোড়ানো ট্রাম্পের গাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২২:২৭ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মার্কিন প্রেসিডেন্টের গাড়ি কেমন হতে পারে, কতটা নিরাপদ হতে পারে সে সম্পর্কে হয়তো অনেকে আন্দাজ করতে পারেন। কিন্তু সে গাড়ি সম্পর্কে সবকিছু জানলে আপনার হয়তো মাথা ঘুরে যাবে!

২৪ ফেব্রুয়ারি ভারত সফরে আসছেন ট্রাম্প। তার সঙ্গে উড়োজাহাজে করেই আসছে তার গাড়ি ‘দ্য বিস্ট’। ওই গাড়িতে করেই তিনি ভারত সফর করবেন। 

চলুন জেনে নেয়া যাক সেই গাড়ি সম্পর্কে: 

ট্রাম্পের গাড়িতে আছে কাচ ও পলিকার্বনেট দিয়ে তৈরি পাঁচ স্তরের জানালা। চালকের দিকে জানালা ছাড়া কোনো জানালা খোলা যায় না। চালকের পাশের জানালার কাচ মাত্র তিন ইঞ্চি নামানো যায়। বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ভেদ করে যাবে এমন বুলেটও এই গাড়ির জানালার কাচ ভেদ করতে পারবে না।

স্টিল, টাইটেনিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম এবং সেরামিকস‌্-এর কম্বিনেশনে তৈরি এই গাড়ির বডি, যা পাঁচ ইঞ্চি মোটা এবং অত্যন্ত শক্ত।

গাড়ির মধ্যেই পাম্প অ্যাকশন শটগানস‌্, কাঁদানে গ্যাস এবং‌ জরুরি অবস্থার জন্য মজুত রাখা হয় রক্তের ব্যাগ। আছে অগ্নিনির্বাপন যন্ত্র।

বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালক এই গাড়ি চালান।  যে কোনো পরিস্থিতিতে সুদক্ষভাবে গাড়ি চালাতে উস্তাদ চালক বিপদের আঁচ পেলেই দ্রুত প্রেসিডেন্টকে নিরাপদ স্থানে নিতে পারেন। চোখের পলকে গাড়ি ১৮০ ডিগ্রি ঘোরানো সম্ভব এই গাড়ি।   

গাড়ির সামনে আছে কাঁদানে গ্যাসের গ্রেনেড লঞ্চার এবং নাইট ভিশন ক্যামেরা।

প্রেসিডেন্টের গাড়ির গতিবিধির ওপর সরাসরি যোগাযোগ রাখে পেন্টাগন। গাড়িতে লাগানো আছে শক্তিশালী স্যাটেলাইট ফোন। পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে তিনি এ ফোন ব্যবহার করেন। প্রেসিডেন্ট ছাড়াও পিছনের আসনে আরো চার ব্যক্তি বসতে পারেন। 

চালক এবং প্রেসিডেন্টের আসনের মাঝে একটি কাচের দেয়াল আছে। প্রেসিডেন্ট চাইলে ওই দেয়াল নামাতে পারেন। এছাড়া আছে প্যানিক বোতাম, অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা। 

গাড়ির জ্বালানি ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণ প্রতিরোধক। সরাসরি ট্যাঙ্কের মধ্যে হামলা হলেও কোনো বিস্ফোরণ হবে না।

স্টিল রিমের টায়ার কখনো ফাটবে না। ফাটলেও গাড়ি চলতে কোনো সমস্যা হবে না। লাগানো আছে অত্যাধুনিক সেন্সর। কোনো রকম নিউক্লিয়ার, কেমিক্যাল বা বায়োলজিক্যাল হামলার আগেই ওই সেন্সরে ধরা পড়ে যাবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ