অবশেষে স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তি 

অবশেষে স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তি 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:০২ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টার অংশ হিসেবে অবশেষে তালেবানের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে জানা গেছে। 

শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, তার নির্দেশে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও তালেবানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষরে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি আরো জানান, আফগান সরকারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একটি যৌথ ঘোষণা দেবেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার।   

কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিকরা তালেবান নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। জানা গেছে, চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য এরইমধ্যে দোহার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন মাইক পম্পেও। দোহায় গত দেড় বছর ধরে এই চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান। সেখানেই চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গেছে।

একইসময়ে মার্ক এস্পার যৌথ বিবৃতিতে আফগান সরকারের পক্ষে মার্কিন সমর্থনকে নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করছেন যা দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাখ্যান করে আসছে তালেবান।  

পম্পেওর তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তিটি  ‘শর্ত ভিত্তিক ও পর্যায়ক্রমিক’ হবে। চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার এবং আফগানিস্তানের আলোচনার একটি ‘সূচনা’ যেখানে দ্বন্দ্বে জড়িত থাকা সব পক্ষ মিলে দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য কঠোর পরিশ্রম শুরু করবে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এই চুক্তিতে তালেবানদের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিশ্রুতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে এর বিস্তারিত বিষয়গুলো এখনও অস্পষ্ট রয়েছে বলেও জানান তারা।

ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, যদি তালেবান ও আফগান সরকার এই প্রতিশ্রুতি পালন করে তবে আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে মার্কিন সেনাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার শক্তিশালী একটি পথ তৈরি হবে।

ট্রাম্প আরো বলেন, এই প্রতিশ্রুতিগুলো আফগানিস্তানের স্থায়ী শান্তির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করছে। চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের জনগণের ভবিষ্যতের বিষয়ে কাজ করবে। তাই শান্তির এই সুযোগটিকে এবং তাদের দেশের জন্য একটি নতুন ভবিষ্যৎ গ্রহণ করার জন্য আফগানিস্তানের জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি আমরা।

সূত্র- এবিসি নিউজ, এনডিটিভি

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএমএফ