অনলাইনেই চলছে চীনা শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা

অনলাইনেই চলছে চীনা শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:০৭ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৭:১৩ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চীনে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ তো দূরের কথা, দিনকে দিন বেড়েই চলেছে এর প্রাদুর্ভাব। চীনের সরকারি হিসেব অনুসারে, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই হাজার ৪ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫ হাজারেও বেশি মানুষ। এ অবস্থায় নির্দিষ্ট ছুটির পরও নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হয়নি দেশটির বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে।

সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার খবরে জানা যায়, দেশটির বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ফেব্রুয়ারি কিংবা মার্চ পযর্ন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে। এমনকি ওই প্রতিষ্ঠানগুলো কবে চালু হবে তা নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ।

তবে এই সমস্যা সমাধানে দেশটি অনলাইনেই চলাচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। দেশ ও বিদেশের শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অংশ নিচ্ছে তাদের বিভিন্ন কোর্সের ক্লাসগুলোতে। এ কারণে চীনে অনেক কাজ থেমে থাকলেও বন্ধ নেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম।

চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানুয়ারির শেষদিকে এক বিবৃতিতে বলে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে চীনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পাঠদান অব্যাহত রাখবে। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পুনরায় সেমিস্টার কার্যক্রম শুরু না হওয়া পর্যন্ত এমন শিক্ষাদান পদ্ধতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় তারা।

শিক্ষকরা পাঠদানে লাইভ স্ট্রিমিং ক্লাস চালানোর জন্য আলিবাবা’র ডিংটক বা ওয়েইশি ব্যবহার করছেন। চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি জাতীয় ইন্টারনেট ক্লাউড ক্লাসরুম চালু করার পরিকল্পনা করেছে, যেখানে এটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠদানের কার্যক্রমকে আরো সহজভাবে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে চীনের বেইজিং নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য সব কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা করেছে। কোনো শিক্ষার্থীকে নোটিশ ছাড়া ক্যাম্পাসে আসতে নিষেধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষরা। তাই আমরা যারা শীতকালীন ছুটি কাটাতে নিজ নিজ দেশে চলে এসেছি তাদের মধ্যে উৎকন্ঠা ছিল কিভাবে সেমিস্টার শেষ করব। তবে আমাদের সব আশঙ্কাকে দূর করে দিয়ে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার ঘোষণায় সস্তি ফিরে পেয়েছি। এখন বাড়িতে বসেই আমরা আমাদের পাঠদানে অংশ নিতে পারছি। এটি একটি অসাধারণ ব্যাপার।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ